দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, ত্যাগ, নির্যাতন ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনীতির মাঠে গড়ে ওঠা এক সাহসী নাম হাসান আল মামুন লিমন। রাজপথের এই অকুতোভয় সৈনিক একদিনে রাজনীতির আসনে অধিষ্ঠিত হননি। তাঁর প্রতিটি অর্জনের পেছনে আছে লড়াই, আদর্শ ও আত্মত্যাগের এক দীর্ঘ ইতিহাস।
ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সোনালী প্রজন্মের গর্ব। অসাধারণ নেতৃত্বগুণ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি একে একে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি যুক্ত হন জাতীয় রাজনীতির বৃহত্তর অঙ্গনে জাতীয়তাবাদী যুবদলে। সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক। এর আগে একই কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে।
২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা সময় ও পর্বে মোট ৪৮১ দিন কারাবরণ করেছেন তিনি। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ২০টিরও বেশি মামলা। কিন্তু কখনো তিনি ভয় পাননি, আপোষ করেননি কিংবা পিছু হটেননি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আহ্বান বুকে ধারণ করে তিনি বারবার ঝাঁপিয়ে পড়েছেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে।
আজ তিনি শুধু একটি নাম নন, বরং গফরগাঁও ও পাগলা থানার অহংকার। জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এই অগ্রসেনানী মাঠের রাজনীতি ও সাংগঠনিক দক্ষতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।