সাইফুল ইসলাম তরফদার ময়মনসিংহঃ
বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর একটি হোটেলে ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৬টি জেলা নিয়ে বিভাগ ব্যবসায়ী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগ ব্যবসায়ী সম্মেলনের সমন্বয়ক মোঃ মনসুর আলম চন্দন।
বিভাগীয় ব্যবসায়ী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিভাগ ব্যবসায়ী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম,যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব জাকির হোসেন বাবলু, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম,উত্তর বিএনপির একমাত্র যুগ্ম আহবায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, সম্মেলনের সহ-সমন্বয়ক জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আবু সাঈদ,তৌহিদুজ্জামান ছোটনসহ সম্মেলনে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলার চেম্বার এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা বক্তব্য দেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব ধরনের আইন পরিবর্তন করা হবে।আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলগত ভাবে মুক্ত অর্থনীতি নিয়ে ভাবছেন। রাজনীতিতে যেমন মুক্ত রাজনীতির সুযোগের কথা ভাবছেন, তেমনি অর্থনীতিতেও মুক্ত অর্থনীতির সুযোগের কথা ভাবছেন। অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ন করার কথা ভাবছেন। অর্থনীতিতে ব্যুরোক্রেসি ও দখলদায়িত্ব কোনোটাই চলবে না। রাজনীতির মতো ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অর্থাৎ সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। কোনো ধরনের বাধা সেখানে থাকবে না। আগামী দিনে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়ন করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইন পরিবর্তন করা হবে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে কিছু লুটেরাদের হাতে অর্থনীতি তুলে দেওয়া হয়েছিল।
এই লুটেরা ব্যাংক ও শেয়ার বাজার লুট করেছে,বিদেশে অর্থপাচার করেছে, বাংলাদেশে যত মেগা প্রজেক্ট সেগুলোর মাধ্যমে লুট করা হয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া মুক্ত বাজার অর্থনীতি থেকে সরে গিয়ে তাদের কিছু লোক অর্থনীতিকে কুক্ষিগত করেছিল। সাথে সাথে রাজনীতিকেও কুক্ষিগত করেছে। কারণ অর্থনৈতিক শক্তি যার কাছে থাকবে রাজনৈতিক শক্তিও তার কাছে। এ জন্য জিয়াউর রহমান অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়নের কথা বলেছেন। শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্রায়য়ন আনলে মানুষের মুক্তি হবে না। শুধু রাজনৈতিক গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে না। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন করতে হবে। অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র আনতে হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে নীতিমালার মাধ্যমে।